ইসলামী দলগুলিই কি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, নারীদের পারতপক্ষে গৃহবন্দী করে রাখার পক্ষে প্রচার করে না?
আফগানিস্তানে কি সেটারই চর্চা হচ্ছে না?
দেশের মানুষের একটি বড় অংশ যে রাজনীতি ধর্ষণ, শিশুদের বলাৎকার, ভিন্ন মতাবলম্বীদের উপর বিনা বিচারে/প্ররোচনায় আক্রমণ অনুমোদন করে সেই রাজনীতি সমর্থন করে। এটা যেমন সামাজিক মাধ্যমে স্ট্যাটাস থেকে পরিস্কার, তেমনি পরিস্কার অনলাইন ও অফলাইনে বিভিন্ন ওয়াজ থেকে।
যদি রামিসাদের বাঁচাতে চান জামায়াত সহ সমস্ত ধরণের ধর্মীয় ও মৌলবাদী রাজনীতিকে না বলুন। রামিসার অকাল মৃত্যু কোন যৌন উন্মাদের একক অপরাধ নয়, এটা দেশের সাম্প্রতিক সময়ের সামাজিক ও রাজনৈতিক বিবর্তন ও পচনের ফল। এখনই এদের রুখে না দাঁড়ালে ভবিষ্যতে কোন শিশুই নিরাপদ থাকবে না।
দুবনা, ২১ মে ২০২৬
ভিকটিমের নামটা বাদ দলে ভাল হয়। নাম, পরিচয় উল্লেখ করে সমাজিক ও গণমাধ্যমে কিছু লেখা বেআইনী। দন্ডনীয় অরাধ বটে।
ReplyDelete