দুবাই, ০৫ জুলাই ২০২৬
Untold thoughts
Sunday, July 5, 2026
সমস্যা
কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণ কেন আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস পালনের ভেন্যু। প্রশ্নটি শুনে আমার একাত্তরের বিভিন্ন ইতিহাস মনে পড়ে গেল। কথিত আছে পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্ব সেনাদের আদেশ দিয়েছিল এদেশে যত বেশি সম্ভব অবৈধ সন্তান জন্ম দিতে যারা পরে পাকিস্তানের হয়ে বাংলা ও বাঙালির বিরুদ্ধে লড়াই করে পাকিস্তান পুনরুদ্ধার করবে। ২০২৪ এর পর বাংলাদেশ কার্যত আমেরিকার একান্নতম স্টেট, তবে অবৈধ। তাই দায় আছে কিন্তু অধিকার নেই। সমস্যা হল যে সময় মত সঠিক প্রশ্ন না করে কাজে নামলে সমাধান আরও বড় সমস্যার রূপ নেয়।
Saturday, July 4, 2026
সংখ্যা
সব অনু পরমানু ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন দিয়ে গঠিত। ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রনের সংখ্যার উপর নির্ভর করে বিভিন্ন পরমানু বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য পায়। সংখ্যা এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সমাজ বা রাষ্ট্রে তার মৌলিক উপাদান মানুষের সংখ্যার ভূমিকা অবশ্য রৈখিক নয়। বেশি লোক মানে বেশি জটিল সিস্টেম তবে সেটা নিশ্চিত ভাবে ভালো বা মন্দ নয়। কারণ সব মানুষ সব ইলেকট্রন, প্রোটন বা নিউট্রনের মত একই ধরণের গুণে গুণান্বিত নয়।
পাক্রোভ, ০৪ জুলাই ২০২৬
Friday, July 3, 2026
সাব নির্বাচন
আজ সাবের নির্বাচন। কেউ আশ্বাস দিয়েছে, কেউ কোন আশ্বাস না দিয়েই নির্বাচন করছে। কথা না দেয়া মানে কথ রক্ষা করা থেকে দায়মুক্তি নয়। কারণ যেই জয়লাভ করুক না কেন সবার কাছেই আমাদের দাবি থাকবে সংগঠনকে গতিশীল করা, গতানুগতিক কিছু অনুষ্ঠানের বাইরেও সাবকে কর্মময় রাখা। ৮ মার্চের বাইরেও নারীদের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার মতই কয়েকটি অনুষ্ঠানের বাইরেও অন্যান্য সময়ে সদস্যদের সমস্যা সমাধানে সক্রিয় হওয়া আর সদস্যদের শুধু অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে নয়, অন্যান্য সময়ের মেধা ও শ্রম দিয়ে সাবের কার্যকরী কমিটিকে সাহায্য করা - এটাই হোক আমাদের স্লোগান। নির্বাচনে যারাই জিতুক না কেন তাদের দায়িত্ব হবে আমাদের স্বপ্ন পূরণে পদক্ষেপ গ্রহণ করা। যারা জিতবে না তারাও সাবের পথচলা মসৃণ করতে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে বলেই আশা করি। আমার ভোট একটি ঐক্যবদ্ধ, সুন্দর ও জনমুখী সাবের জন্য। সাব দীর্ঘজীবী হোক!
দুবনা, ০৩ জুলাই ২০২৬
Monday, June 29, 2026
জবাবদিহিতা
পরীক্ষা এক ধরণের জবাবদিহিতা। আমাদের ছেলেমেয়েরা জিপিএ-৫ পাওয়ার জন্য উদগ্রীব। এই রেজাল্ট করার পেছনে নিশ্চয়ই জবাবদিহিতার মনোভাব কাজ করে, মানে আমি যে ভালোভাবে নিজের কাজটি অর্থাৎ পড়াশুনা করেছি আমার রেজাল্টই তার বড় প্রমাণ। কিন্তু এই আমরাই পরবর্তী জীবনে এসে জবাবদিহিতার কথা বেমালুম ভুলে যাই, নিজের সাফল্য ব্যর্থতার জন্য যে জনগণের কাছে জবাব দিতে হবে সেটা আমরা মনেই করি না। আমাদের সমাজের গঠন এমন যে শিশু কাল থেকেই তাকে উঠতে বসতে জবাব দিতে হয়, জবাব দিতে হয় শুধু নিজের নয়, বড়দের ভুলের জন্যও। কর্ম জীবন শুরুর আগেই হয়তো সবার জবাব দেবার কোটা শেষ হয়ে যায়। ফলে যখন জবাবদিহিতা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তখন আর তার জবাব দেবার কোন সুযোগ, ইচ্ছা কোনটাই থাকে না।
দুবনা, ২৯ জুন ২০২৬
Saturday, June 27, 2026
বুদ্ধিমাস্তান
আমাদের দেশ সংজ্ঞা বিভ্রাটে আক্রান্ত। ফলে কোন শব্দ সঠিক অর্থে ব্যবহার করার পরিবর্তে ব্যক্তিগত, অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার প্রবণতা এখানে প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এসব শব্দের ব্যবহার নির্ভর করে যার উদ্দেশ্য ব্যবহার করা হয় তার প্রতি ব্যবহারকারী ব্যক্তির নিজস্ব অনুভূতির রসায়নের উপর। ফলে একই কাজের জন্য একজন স্বৈরাচারী, অন্যজন গণতন্ত্রের ধারক ও বাহক। একই কারণে বুদ্ধিচোরা ও বুদ্ধিডাকাত বনে যায় বুদ্ধিজীবী। জ্ঞান যখন অপকর্মে ব্যবহার করা হয় তখন সেটা আর জ্ঞান থাকে না, যেমন অপব্যবহারে ওষুধ হয় বিষ। নিজের কাজ বা চিন্তাকে যৌক্তিক ভিত্তি দেবার জন্য অন্যদের প্রাসঙ্গিক কাজ ও চিন্তার উদ্ধৃতি দেয়া খুবই স্বাভাবিক। তবে অন্যের কাজের উদ্ধৃতি যদি রচনার মূল বিষয়বস্তু হয় তবে সেটা আর আর মৌলিক রচনা থাকে না। অন্যের কাঁধে চড়ে ভ্রমণ হয়তো আরামদায়ক, তবে দীর্ঘ সময় ধরে মাটির সাথে পায়ের সংযোগ না থাকলে একসময় পায়ের নীচ থেকে মাটি সরে যেতে পারে। সত্যিকারের জ্ঞানী জ্ঞানের বিশুদ্ধতা রক্ষায় কাজ করে, যারা জ্ঞানকে নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থ চরিতার্থ করার কাজে লাগায় তারা জ্ঞানী থাকে না। এদের বলা যায় বুদ্ধিমাস্তান।
দুবনা, ২৭ জুন ২০২৬
Wednesday, June 24, 2026
প্রতিবাদ
যেকোনো রাষ্ট্রের সেনাবাহিনী হল অনুৎপাদনশীল খাত। তারপরেও রাষ্ট্রের নিরাপত্তার কারণে তাকে রাখতে হয়। এর বাইরের যেকোনো অনুৎপাদনশীল গোষ্ঠীর ভরণপোষণ করা যেকোনো রাষ্ট্রের জন্য বোঝা। প্রতিপক্ষকে ঠেকাতে ও জনগণকে ঠকাতে বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন, ধর্মীয় জঙ্গিগোষ্ঠী ইত্যাদির ব্যবহার মানে ভবিষ্যতে আরেক দল মানুষ তৈরি করা যারা ভালো খেতে ও পরতে চায়, যাদের রক্ত টগবগ করে কিন্তু যারা জনমনে আতঙ্ক ছাড়া কিছু্ই উৎপাদন করতে পারে না বা করতে চায় না। ক্ষমতায় যারাই থাক না কেন রাষ্ট্রকেই এদের দায়িত্ব নিতে হয় আর সেই ব্যয় বহন করে সাধারণ মানুষ। তাই দিনের শেষে মানুষকেই এসবের প্রতিবাদ করতে হবে।
দুবনা, ২৪ জুন ২০২৬
Monday, June 22, 2026
তেল বৃষ্টি
এক বন্ধু জানালো মস্কোর আকাশে নাকি তেল বৃষ্টি হচ্ছে। পুরো রাশিয়া জুরে তেল সংকট। এসব খবরে দেশ বিদেশের সব পত্র পত্রিকা ছয়লাভ। সংকট এড়াতে পুতিনের পদত্যাগ করা উচিৎ।
কি বলব? তেলের সঙ্কট হলে তেল বৃষ্টি হয় কীভাবে? তবে তেলের ব্যাপারে রেস্ট্রিকশন আছে, গাড়িতে তেল দিচ্ছে, ক্যানিস্টারে দিচ্ছে না। কারণ মানুষ বেশি বেশি করে মজুত করতে চাইলে সঙ্কট তৈরি হবে। যুদ্ধ যুদ্ধই। আমি ভাবি সব কথা বিশ্বাস করার আগে মানুষ একটু মাথা খাটায় না কেন? পশ্চিমা বিশ্ব আর যাই চাক, রাশিয়ার মঙ্গল চায় না, কোন দিন চায়নি। আর চায় না বলেই যুদ্ধটা জিইয়ে রাখছে। পুতিনকে পদত্যাগ করানোর জন্য তারা তো সেই ২০০৭ সাল থেকেই কাজ করে আসছে। বিভিন্ন অজুহাতে তারা বিভিন্ন দেশের নেতাদের (তা আমাদের পছন্দ হোক আর নাই হোক) পদত্যাগ করিয়ে তো দেশগুলোর বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে। তাই পুতিন পদত্যাগ করলে আর যাই হোক রাশিয়ার ভালো হবে না। বুঝতে হবে যে যুদ্ধের মাঠে পেরে না উঠে তারা এখন সিভিলিয়ানদের জীবন অতিষ্ঠ করে তুলতে চাইছে। সমস্যা হল, রুশদের যত বেশি চাপে তারা তত বেশি ভয়ঙ্কর, তত বেশি বিধ্বংসী হয়ে ওঠে। এখন পশ্চিমা বিশ্ব জীবন পণ করে প্রোপ্যাগান্ডা যুদ্ধে নেমেছে। শুধু এ কথাই বলতে পারব, ওরা যখন বলবে রাশিয়ার অবস্থা খারাপ, এর মানে হল, রাশিয়া যুদ্ধের মাঠে ভাল করছে। অন্তত যুদ্ধক্ষেত্রের খবর তাই বলে। বাকি আছে দানিয়েৎস্কের শেষ বড় শহর ক্রিমাতোরস্ক। এরপর ওদের আর প্রতিরোধ করার তেমন দুর্গ থাকবে না। খেলা জমছে।
দুবনা, ২২ জুন ২০২৬
কি বলব? তেলের সঙ্কট হলে তেল বৃষ্টি হয় কীভাবে? তবে তেলের ব্যাপারে রেস্ট্রিকশন আছে, গাড়িতে তেল দিচ্ছে, ক্যানিস্টারে দিচ্ছে না। কারণ মানুষ বেশি বেশি করে মজুত করতে চাইলে সঙ্কট তৈরি হবে। যুদ্ধ যুদ্ধই। আমি ভাবি সব কথা বিশ্বাস করার আগে মানুষ একটু মাথা খাটায় না কেন? পশ্চিমা বিশ্ব আর যাই চাক, রাশিয়ার মঙ্গল চায় না, কোন দিন চায়নি। আর চায় না বলেই যুদ্ধটা জিইয়ে রাখছে। পুতিনকে পদত্যাগ করানোর জন্য তারা তো সেই ২০০৭ সাল থেকেই কাজ করে আসছে। বিভিন্ন অজুহাতে তারা বিভিন্ন দেশের নেতাদের (তা আমাদের পছন্দ হোক আর নাই হোক) পদত্যাগ করিয়ে তো দেশগুলোর বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে। তাই পুতিন পদত্যাগ করলে আর যাই হোক রাশিয়ার ভালো হবে না। বুঝতে হবে যে যুদ্ধের মাঠে পেরে না উঠে তারা এখন সিভিলিয়ানদের জীবন অতিষ্ঠ করে তুলতে চাইছে। সমস্যা হল, রুশদের যত বেশি চাপে তারা তত বেশি ভয়ঙ্কর, তত বেশি বিধ্বংসী হয়ে ওঠে। এখন পশ্চিমা বিশ্ব জীবন পণ করে প্রোপ্যাগান্ডা যুদ্ধে নেমেছে। শুধু এ কথাই বলতে পারব, ওরা যখন বলবে রাশিয়ার অবস্থা খারাপ, এর মানে হল, রাশিয়া যুদ্ধের মাঠে ভাল করছে। অন্তত যুদ্ধক্ষেত্রের খবর তাই বলে। বাকি আছে দানিয়েৎস্কের শেষ বড় শহর ক্রিমাতোরস্ক। এরপর ওদের আর প্রতিরোধ করার তেমন দুর্গ থাকবে না। খেলা জমছে।
দুবনা, ২২ জুন ২০২৬
Subscribe to:
Posts (Atom)