শুনলাম ছেলে ছাত্রলীগ করার অপরাধে মাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আপনি ভাবতেই পারেন এটা ছাত্রলীগের সমস্যা, এটা আওয়ামী লীগের সমস্যা বা ঐ জাতীয় কিছু। বাস্তবে এটা আপনার সমস্যা।
আচ্ছা আদালতে সবচেয়ে বেশি মামলা হয় কিসের জন্য? সম্পত্তির। মামলায় লড়ে ভাই -ভাই, স্বামী-স্ত্রী, পিতা-পুত্র। তাই স্বার্থের কাছে আপন পর বলে কেউ নেই, কিছু নেই।
আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, সংখ্যালঘু - এরা আসলে কে? ভিন্নমতাবলম্বী। কোন না কোন প্রশ্নে মতের অমিল হলেই কাউকে হত্যা করা গেলে সেই দিন খুব দূরে নয় যখন এদের অস্ত্র আপনার দিকে তাক করা হবে। তখন আর চারপাশে কেউ থাকবে না। সবচেয়ে বড় কথা ভিন্নমতাবলম্বীকে হত্যা করা তখন আর অপরাধ বলে গণ্য হবে না, এটা হবে সামাজিক বিধি।
এখনও যদি মেরুদন্ড পুরোপুরি খোয়া না যায়, এখনও যদি মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখেন তাহলে অন্যায়ের প্রতিবাদ করুন, যেকোন মবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন, অন্যদের প্রতিবাদী হতে উদ্বুদ্ধ করুন। না হলে কলঙ্কময় মৃত্যু আপনার জন্য অপেক্ষা করছে।
দুবনা, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬