দুবনা, ১৬ জুলাই ২০২৬
Untold thoughts
Thursday, July 16, 2026
সাম্যবাদী সমাজ
মানুষ পারেনি কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন রবোট পারবে। হ্যাঁ, ওরা সাম্যবাদী সমাজে বাস করবে। ওরা আধুনিক যুগের সব - শ্রমিক, কৃষক, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, কৃষিবিদ, এমনকি লেখক। ওরা সবাই সমান বেতনে বা বেতন হীনতায়। তবে বিশ্বের সেরা আইটি বিশেষজ্ঞরা ওদের সেবাযত্ন করবে নিরলস ভাবে আর সরকার দুই হাতে অর্থ ঢালবে ওদের সুস্থ, সবল, সচল রাখতে। মানুষের জন্য না হলেও রবোটের জন্য সাম্যবাদ বিরোধী পুঁজিবাদী বিশ্ব গড়বে সাম্যবাদী সমাজ ব্যবস্থা।
Tuesday, July 14, 2026
তবুও ভোট দিন
প্রিয় সাববাসী! আগামী শুক্রবারের পর আপনার মহামূল্যবান ভোট ফেলার জন্য একটি ডাস্টবিনও খুঁজে পাবেন না বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডে। তাই চরম অবমূল্যায়নের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য আসছে শুক্রবার ১৭ জুলাই আপনার মুল্যবান ভোট গুলো ডঃ মোস্তফা আবিদ খান, স্থপতি তানিয়া আতিক, ডাঃ খায়রুবন্নেসা আমিন লিপি, ডঃ গণেশ চন্দ্র রায়, ডাঃ হামিদা মাইদার, ডাঃ সাকী খন্দকার ও ইঞ্জিনীয়ার আব্দুর রাজ্জাক-এর নামে উৎসর্গ করে নিজেও আনন্দে থাকুন আর প্রার্থীদেরও আনন্দে রাখুন। এতে শুধু আপনার ভোটের মানসম্মান রক্ষা পাবে না, অদূর ভবিষ্যতে একটি স্থায়ী অফিস, অনলাইনে ভোট দেবার অধিকার, শত শত নতুন সদস্য পেয়ে সাব নিজেও অভাবনীয় রকম লাভবান হবে। চাইলে আপনি অবশ্যই যে কাউকে ভোট দিতে পারেন। সবচেয়ে বড় কথা, ভোট কেন্দ্রে যাওয়া ও ভোট দেয়া। হয়তো আপনার একটি ভোট আমার ভোটের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
ভোট দিন ভোট দিন। আপনার ভোট যাতে মাঠে মারা না যায় সেটা দেখার দায়িত্ব একমাত্র আপনার।
দুবনা, ১৫ জুলাই ২০২৬
Sunday, July 12, 2026
স্বপ্ন
কিছু দিন আগে একটি মুভি দেখলাম। ডাকসাইটে সুন্দরী এক নারীর মন জয় করতে চায় দুই অলিগার্খ। সুন্দরীর জন্মদিনে একই সাথে দু'জনে এসেছে দুই উপহার নিয়ে। একজন এনেছে বেন্টলি, অন্যজন এসেছে রেঞ্জ রোভার নিয়ে। কার উপহার গ্রহণ করবে সুন্দরী?
সাব কি আমাদের কম সুন্দরী? কেমন হত যদি সভাপতি পদপ্রার্থীগণ দুটো অফিসের ছবি ও ঠিকানা সহ হাজির হত সয়ম্বর সভায় মানে ভোট কেন্দ্রে?
দুবনা, ১৩ জুলাই ২০২৬
গনি মিয়ার ভোট
গনি মিয়ারা অতি সাধারণ ভিপুস্কনিক। নিজেদের ভোটে দাঁড়ানোর সাহস নেই। অন্যেরা দাঁড়ায়। গনি মিয়ারা তাদের জন্য কাঁধে ঝুলি ঝুলিয়ে ভোট ভিক্ষায় নেমে পড়ে। এতে রাজা উজির নির্বাচিত হয়। তারা যথারীতি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে। গনি মিয়ারা মনে কষ্ট পায় কিন্তু কষ্ট পাওয়া ছাড়া তাদের আর কিছুই করার নেই। আবারো ভোট এসে দরজায় কড়া নাড়ছে। গনি মিয়ারা মালকাছা দিয়ে নেমে পড়েছে ভোট ভিক্ষায়। আর যাই হোক ভিক্ষা তো চুরি ডাকাতি নয়। যদিও জানে সব প্রতিশ্রুতি পূরণ হবার নয় তারপরেও তারা ভোট চায়। চাওয়া পাওয়ার এই জীবনে পাওয়া চাওয়ার কাছে সবসময় হার মানে। তারপরেও তারা চায়, চেয়েই যায় আতালিগহাসারা-র আসন্ন সাব বিজয়।
কিনেশমা, ১২ জুলাই ২০২৬
Friday, July 10, 2026
মদ
দেশে এরকম কথা প্রচলিত ছিল -"তুমি মদ খাও, কিন্তু মদ যেন তোমাকে না খায়।" এর সারমর্ম হল, তুমি যা কর তার উপর যেন নিয়ন্ত্রণ না হারাও। ইউক্রেনের যুদ্ধে মনে হয় সেটাই ঘটছে। ইউরোপ যুদ্ধ লাগিয়ে এখন না পারছে চালিয়ে যেতে, না পারছে সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে। প্রশ্ন আর হার জিতের নয়, প্রশ্ন মুখ রক্ষা করার। কারণ এখন যদি যুদ্ধ বন্ধ করতে হয় স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন আসবে তাহলে সেটা লাগানোর প্রয়োজন কি ছিল? এই যে বছরের পর বছর রাশিয়া ইউরোপ আক্রমণ করবে বলে প্রোপ্যাগান্ডা চালানো হল, সেটারই বা কি দরকার ছিল? মিথ্যার এই এক সমস্যা। একবার মিথ্যা বলতে শুরু করলে সেই মিথ্যাকে ধামা চাপা দেবার জন্য একের পর এক মিথ্যা বলে যেতেই হয়।
দুবনা, ১০ জুলাই ২০২৬
দুবনা, ১০ জুলাই ২০২৬
Wednesday, July 8, 2026
প্রশ্ন
আচ্ছা, শুধু গুলি করে মারলেই হত্যা করা হয়? বিমান, ড্রোন হামলা বা মিসাইলের আঘাতে হাজার হাজার বাড়ি ঘর ও মানুষ হত্যা করলেই কোন দেশকে যুদ্ধের অপরাধে নিন্দা করা যায়? এই যে কিউবার উপর অর্থনৈতিক অবরোধ জারি করে সেই দেশের অস্তিত্ব হুমকির মুখে ঠেলে দেয়া হচ্ছে, হাজার হাজার মানুষ মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ছে এটা কি জেনোসাইড নয়? বিভিন্ন সময় ইউরোপের দেশগুলো তাদের উপনিবেশগুলোয় কৃত্রিম ভাবে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করে কোটি কোটি মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে। এর পরেও তাদের কখনো এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য অভিযুক্ত করা হয়নি। কেন? কারণ তাদের প্রচেষ্টায় পৃথিবীর দেশের দেশে যে শিক্ষিত ও এলিট শ্রেণী গড়ে উঠেছিল সেই শ্রেণীর মূল কাজ ছিল শাসক শ্রেণীর স্বার্থ রক্ষা করা, তাদের জীবন দর্শন, তাদের সত্য মিথ্যা, তাদের ন্যায় অন্যায় পৃথিবীর বুকে প্রতিষ্ঠা করা। তাই অর্থনৈতিক অবরোধ, বায়োলজিক্যাল এক্সপেরিমেন্ট সহ অন্যান্য শান্তিপূর্ণ উপায়ে মানুষ হত্যা হবে গণতন্ত্রের বেদীতে বৃহৎ পুঁজির সামান্য উৎসর্গ। ভালোই তো? ভালো না?
দুবনা, ০৮ জুলাই ২০২৬
Tuesday, July 7, 2026
ভূত
জামায়াত, শিবির ও মৌলবাদী গোষ্ঠী, যারা একাত্তরকে ঐতিহাসিক ভুল বলে বিশ্বাস করে, তারা বাদে চব্বিশে যে অনেক কিছুই ভুল ছিল এবং এই ভুলের ফাঁকফোকর দিয়ে স্বাধীনতার সমস্ত অর্জনগুলো একে একে হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে এটা কেউ অস্বীকার করে না। তবে সরাসরি নিজেদের ব্যর্থতা স্বীকার না করে অনেকেই মৌলবাদের উত্থানে শেখ হাসিনাকে দায়ী করে দায় সারতে চায়। মৌলবাদের উত্থানের পেছনে যে হাসিনার ক্ষমতা লিপ্সা দায়ী সেটা মিথ্যা নয়। তবে হাসিনার ভুলের আড়ালে নিজেদের ব্যর্থতা লুকিয়ে রাখার প্রচেষ্টা হাসিনার জন্য যতটা নয় (নতুন করে আর কি ক্ষতিই বা তার হতে পারে), এসব দল ও দেশের জন্য তারচেয়ে অনেক গুণ বেশি ক্ষতিকর। একসময় বাংলাদেশে কোন দুর্ঘটনা ঘটলে এমনকি মন্ত্রীরা পর্যন্ত ভারতেও এমন হয় বলে অজুহাত দাঁড় করাত। এখন অন্যকে দায়ী করার এই আওয়ামী ভূত অন্যদের কাঁধে ভর করেছে। যতদিন আমরা অন্যদের ব্যর্থতার মধ্যে নিজের ভুলের যৌক্তিকতা খুঁজব ততদিন সাফল্য আমাদের অধরাই থেকে যাবে। আর সময় মত ভুল না ভাংলে একসময় নিজেরাই ভূত হয়ে যাব।
দুবনা, ০৭ জুলাই ২০২৬
Subscribe to:
Posts (Atom)