দুবনা, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Untold thoughts
Sunday, February 15, 2026
প্রশ্ন
বিএনপি নির্বাচনে জয়ী হয়েছে। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়া এখন সময়ের ব্যাপার। তিনি ইতিমধ্যেই সাংবাদিক সম্মেলনে বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য রেখেছেন, রাখছেন। অনেক বিষয়ে অনেক আশাব্যাঞ্জক বাণী শুনিয়েছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কারাবন্দী সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও রাজনীতিবিদদের নিয়ে কোন কথা শুনিনি। বিশেষ করে যারা সত্যিই বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর ঝুঁকিতে আছেন। সাংবাদিকরা কি এসব বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন?
Saturday, February 14, 2026
ভোটস্থীতি
খবরে প্রকাশ কোন কোন আসনে নাকি ২৪৫% ভোট পড়েছে। এতে অবশ্য অবাক হবার কিছু নেই। ভদ্রলোক অর্থনীতির মানুষ। মুদ্রাস্ফীতির নিয়ম অনুসারে ভোটস্ফীতির তত্ত্ব আবিষ্কার করে আরেকটা নোবেল বাগিয়ে নেবেন। দূরদর্শী মানুষ। সামনের বেকার জীবনের জন্য কাজ তো বের করতে হবে!
দুবনা, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Wednesday, February 11, 2026
কথা
কথায় আছে মৌনতা সম্মতির লক্ষণ। তাই ভোট বয়কট মানে যারা সংবিধান সংশোধনের জন্য গণভোটের আয়োজন করেছে তাদের সাথে সংহতি প্রকাশ করা। যদি আপনি এই সংশোধন সমর্থন না করেন ভোট কেন্দ্রে গিয়ে না ভোট দিন। অনেকেই বলছে কোন লাভ নেই। না কে হ্যাঁ করা হবে। হ্যাঁ কে জিতিয়ে আনা হবে। প্রশ্নটা হারজিতের নয়, প্রশ্নটা নিজের প্রতিবাদটুকু জানিয়ে রাখার। নিজের কাছে হেরে না যাওয়ার।
দুবনা, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Sunday, February 8, 2026
নিমিত্ত
প্রতিটি নতুন জেনারেশনের ডিভাইস যেমন আগেরটার চেয়ে এক কাঠি সরেস তেমনি গণতন্ত্রের মন্ত্র আওড়িয়ে এক স্বৈরাচারকে হঠিয়ে ক্ষমতায় আসা শাসকগোষ্ঠী আরও এক কাঠি বেশি নির্মম স্বৈরাচারী হয়। এটা যেমন বিভিন্ন সামাজিক বিপ্লবের ক্ষেত্রে সত্য, তেমনি সত্য বর্তমান এরায় ঘটে যাওয়া বিভিন্ন রঙিন বিপ্লবের ক্ষেত্রে। আগের স্বৈরাচারের অবশিষ্ট মানবিক গুণাবলীকে নতুনরা দুর্বলতা মনে করে এবং নিজেদের রক্ষা কবচ হিসেবে সেসব মানবিক বৈশিষ্ট্য বিসর্জন দেয়। তাই জারের আমলে লেনিন বেশ আদর যত্নের সাথে কারাবাস করলেও জার নিকোলাই সপরিবারে নিহত হন। ডঃ ইউনূস বা অন্যান্য অনেকেই বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে জেলে কষ্ট করে বেঁচে থাকলেও ইউনূসের জেলে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষেরা মরে যায়। রমেশ চন্দ্র সেন নব্য স্বৈরাচারের বহু বলির একজন মাত্র। তাঁর আগে ও পেছনে আছে মৃত মানুষের দীর্ঘ সারি। ইউনূস নিমিত্ত মাত্র। এদের তো বটেই এমনকি দেশের ভাগ্য নির্ধারিত হয় পশ্চিমা বিশ্বের বিভিন্ন রাজধানীতে।
দুবনা, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Friday, February 6, 2026
গ্রে
এপস্টেইন ফাইল রহস্য দেখে মনে হচ্ছে আমরা সবাই আর্টিস্ট বেইসিল যে হঠাৎ করে ডোরিয়ান গ্রের গোপন ঘরে ঢুকে নিজের আঁকা গ্রের পোর্ট্রেটের দুরাবস্থা দেখে হতবাক হয়ে গেছে।
মস্কো, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Monday, February 2, 2026
স্বনির্ভরতা
অনেক দিন আগের কথা। তখন পাকিস্তান নামে একটি দেশ ছিল। বর্তমান বাংলাদেশ ছিল সেই পাকিস্তানের একটি প্রদেশ। কিন্তু পাকিস্তানিদের, বিশেষ করে পাঞ্জাবী শাসক শোষকদের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে বাঙালিরা স্বাধীন হল। এখন শুনি একদল বাঙালি নাকি পুনরায় পাকিস্তানি হবার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। অথচ পাকিস্তানে আঁটকে পরা বাঙালিরা আজও পাকিস্তানি হতে পারে নাই। আচ্ছা এদের যদি এতই পাকিস্তানি হতে ইচ্ছে করে তাহলে আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ইউরোপ বা অন্যান্য দেশের পরিবর্তে পাকিস্তানে মাইগ্রেট করে না কেন? এখন তো এ জন্য ভিসা পর্যন্ত লাগে না। এমনকি ডাইরেক্ট ফ্লাইট পর্যন্ত চালু হয়েছে। অযথা দেশের বেশির ভাগ মানুষ যারা পাকিস্তানী হতে চায় না, তাদের সাথে নেবার কী দরকার? তবে তাদের এটাও মনে রাখা দরকার যে শুধু একাত্তর সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার মধ্য দিয়েই পাকিস্তান ভাঙ্গনের প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যায়নি। এখনও খোদ পাকিস্তানে পাঞ্জাবী, সিন্ধি, বালুচ, পশতুন এরা এক জাতি হিসেবে গড়ে উঠতে পারেনি আর তাই বালুচিস্তান ও সীমান্ত প্রদেশে বিদ্রোহ লেগেই আছে। আরব বিশ্বের এতগুলো দেশ একই ধর্ম, একই ভাষা নিয়েও এক রাষ্ট্র হতে পারল না, সেখানে বাংলাদেশ আর পাকিস্তান শুধু ধর্মের ভিত্তিতে এক হবে কীভাবে? বাঙালিরা বাঙালি হয়েই নিজের দেশ গড়ে তুলুক আর পাকিস্তান ও বাংলাদেশ পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোক। তাহলেই এক দেশ না হয়েও সুসম্পর্ক বজায় থাকবে। এই দুই দেশের ভাগ বাটোয়ারা করার কিছু নেই, স্বল্পকালীন যে যৌথ অতীত আছে সেটাও সুখকর নয়। তাদের চলার পথ ভিন্ন। তারপরেও দু দেশই নিজের পায়ে শক্ত ভাবে দাঁড়ালে আর পরস্পরের পথকে শ্রদ্ধা করলে সম্পর্ক এমনিতেই ভালো হবে। সেটা সব দেশের জন্যেই সত্য। তাই পাকিস্তানের আগে বাংলাদেশকে ভালবাসতে শিখুন, এই দেশকে উন্নত ও আধুনিক করুন। বাকিটা আপনার দায়িত্ব নয়।
দুবনা, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Sunday, February 1, 2026
সাপ
ভাগ্যের নির্মম পরিহাস এই যে বাংলাদেশের অনেক সম্ভাব্য সাংসদ মহিলাদের সাথে একই আলোচনা সভায় বসতে রাজি না হলেও একই সাথে একাধিক মহিলার সাথে বসতে (বাস করতে) গররাজি নয়। একই ভাবে গণতন্ত্রের নামে জপে একদল ডিগ্রিধারী হাফ নাগরিক টাউট বাটপার দেশে মধ্যযুগীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করতে এতটুকু দ্বিধান্বিত নয়। এসব দু মুখো সাপের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করা প্রতিটি নাগরিকের পবিত্র দায়িত্ব।
দুবনা, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Subscribe to:
Comments (Atom)
