আমেরিকার গণতন্ত্র মনে হয় আইসবার্গের গণতন্ত্র। চার বছর পর পর এর দৃশ্যমান অংশ মানে প্রেসিডেন্ট পরিবর্তন করা হয় কিন্তু আসল শাসন ব্যবস্থা কমবেশি আগের মতই রয়ে যায়। সেনেটর, কংগ্রেস ম্যান এদের বার্থ সার্টিফিকেট না দেখেও বোঝা যায় কত যুগ যুগ ধরে এরা সেখানে শেকড় গেড়ে বসে আছে। এটাকে হয়তো ক্ল্যাসিকাল অর্থে স্বৈরশাসন বলা যায় না, তবে অন্যান্য দেশের প্রতি আমেরিকার স্বৈরাচারী মনোভাবের মূল এখানে প্রোথিত বলেই মনে হয়। কারণ সমাজ সময়ের সাথে বদলে গেলেও শাসকদের কর্তৃত্ববাদী মনোভাব বদলায় না। প্রাচীন রোমে যেমন একদল বিশিষ্ট নাগরিক গণতান্ত্রিক অধিকার ভোগ করে অন্যদের দাস বানিয়ে রাখত তেমনি করে আমেরিকার শাসকগোষ্ঠীর বেশিরভাগ সেটাই চালাতে চায় বিশ্ব পরিসরে। এখান থেকেই নিজেরা বামুন সেজে অন্যদের অচ্ছুত রাখার জন্য চলে অন্তহীন যুদ্ধ আর দিনের শেষে নিজেরা হয় বামন।
দুবনা, ০৪ এপ্রিল ২০২৬