দুবনা, ১৪ মে ২০২৬
Thursday, May 14, 2026
নীতি
টাকার কার্লসনের সাথে এক সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কির এক সময়ের সেক্রেটারি পরোক্ষভাবে তার নেশাগ্রস্ত থাকার কথা স্বীকার করেছে আর এও বলেছে যুদ্ধই তার টিকে থাকার একমাত্র অবলম্বন। একথা যে আগে জানা ছিল না তা নয়, তবে এখন সেটা স্বীকার করল জেলেনস্কির ঘনিষ্ঠ এক লোক। সে যে অভিনয় জীবনেই নেশা করত সেটাও জানা। প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে "সভ্য" দেশগুলো তার উপর বাজি রাখল কেন? ইতিহাস বলে অন্যদের সভ্য করার দায়িত্ব নিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব সবসময়ই শত্রু শিবিরে বা যেসব দেশ নিজেদের বলয়ে রাখতে চায় সেখানে হয় দুর্নীতিবাজ ও বিশ্বাসঘাতক খুঁজে না হয় ক্ষমতা ও অর্থের লোভ দেখিয়ে তাদের দুর্নীতিগ্রস্ত করে। আর একবার টোপ গিললে সত্য ফাঁস করে দেবার ভয় দেখিয়ে এদের দিয়ে যা খুশি তাই করিয়ে নেয়। কিন্তু সেই সত্যটা আংশিক। সেখানে ঘুষ যে গ্রহণ করে সেই একমাত্র দোষী, ঘুষ দাতা বা দুর্নীতি করার উস্কানি দাতার কোন দায় নেই - এই মন্ত্র জপ করে নিজেদের সবসময়ই বিচারের ঊর্ধ্বে রাখে পশ্চিমারা। যদিও দিনের শেষে জেলেনস্কি বা ইউনুস যুদ্ধ ও মবের মাধ্যমে হাজার হাজার নিরীহ মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেবার জন্য ইতিহাসে কুখ্যাত হয়ে থাকবে তবে এইসব মৃত্যুর নেপথ্য কলাকুশলীরা বরাবরের মতই বেকসুর খালাস পাবে। এটাই সভ্যতা। যতদিন আমরা এই বয়ানকে সভ্যতার একমাত্র মাপকাঠি হিসেবে গ্রহণ করব ততদিন দুর্নীতি হবে আমাদের নীতি।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment