একজন ডাক্তার তৈরি করতে দেশের খরচ হয় লাখ লাখ টাকা আর শিল্পপতি ভুঁইফোর। বিনা পরিশ্রমে ফল পাওয়ার এই দর্শনের জন্যই স্বাস্থ্যকর্মীরা আবার রাষ্ট্র দ্বারা ধর্ষিত হবার পথে।
দুবনা, ০৫ এপ্রিল ২০২০
Sunday, April 5, 2020
Saturday, April 4, 2020
উপরওয়ালা
আগে শুনতাম জন্ম-মৃত্যুর মালিক উপরওয়ালা, এখন দেখছি এই উপরওয়ালা আসলে গার্মেন্টস কোম্পানির মালিক। ভাবছি ঘটলো কি- মর্ত্যের উপরওয়ালার পদোন্নতি না স্বর্গের উপরওয়ালার পদবোনতি।
দুবনা, ০৫ মার্চ ২০২০
দুবনা, ০৫ মার্চ ২০২০
জীবন মৃত্যু
কারখানার মালিকরাই মনে হয় জীবন-মরণের মালিক। তাই বাংলার পথে ঘাটে জীবন হেঁটে যায় মৃত্যুর খোঁজে।
দুবনা, ০৪ এপ্রিল ২০২০
দুবনা, ০৪ এপ্রিল ২০২০
শেষের শুরু?
নব্বইএর দশকে বেশ কয়েকটি ধর্মীয় সেক্ট গণ আত্মহত্যা করে সমালোচিত হয়েছিল। তবে এসব ছিল ক্ষুদ্র কোন সেক্ট। এখন বিশ্বের প্রধান প্রধান ধর্মের প্রতিনিধিরা এ পথে এগুচ্ছে। অথচ এভাবে তো মানব সভ্যতার ধ্বংস হওয়ার কোন পূর্বাভাস ছিল না!
দুবনা, ০৪ এপ্রিল ২০২০
Friday, April 3, 2020
গড়
বিভিন্ন দেশের সরকার করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণায় এত গড়িমসি করছে কেন?
প্রায় সব দেশেই সরকার গড় আয়ুর চেয়ে গড় আয় বাড়াতেই বেশি আগ্রহী। অসুখে আর করোনা পরবর্তী অভাব অনটনে মরবে তো গরীব মানুষ। তাতে দেশের মানুষের গড় আয় বাড়বে। মধ্য বা উচ্চ আয়ের দেশ হবার এমন শর্টকাট রাস্তা সরকার পাবে কোথায়? তাই তাদের এই গড়িমসি।
দুবনা, ০৪ এপ্রিল ২০২০
প্রায় সব দেশেই সরকার গড় আয়ুর চেয়ে গড় আয় বাড়াতেই বেশি আগ্রহী। অসুখে আর করোনা পরবর্তী অভাব অনটনে মরবে তো গরীব মানুষ। তাতে দেশের মানুষের গড় আয় বাড়বে। মধ্য বা উচ্চ আয়ের দেশ হবার এমন শর্টকাট রাস্তা সরকার পাবে কোথায়? তাই তাদের এই গড়িমসি।
দুবনা, ০৪ এপ্রিল ২০২০
পাগলামি
করোনার যন্ত্রনায় মানুষ একেবারে পাগল হয়ে গেল?
পাগল মানে? আমার তো মনে হয় করোনার কল্যাণে মানুষ বরং চেতনা ফিরে পেল?
কি বলে আপনি?
যা বলি ঠিক বলি।
যেমন?
দেখুন করোনার কারণে মানুষ চালডাল, তেল, নুন কিনে ঘর বোঝাই করছে। মানুষ বুঝতে পারছে গাড়ি, বাড়ি, ব্যাংক, ব্যাল্যান্স, টিভি, কম্পিউটার, আইফোন, আইপ্যাড থেকে শুরু করে হাজারো জিনিস আর যাই করুক তাদের বেশি দিন বাঁচিয়ে রাখতে পারবে না। হাজার হাজার বছরের মানব সভ্যতার ইতিহাসে এসব কিছু ছিল না। তার পরেও অনেক মহামারী, অনেক প্রতিকুলতা এড়িয়ে মানুষ এতদূর পর্যন্ত এসেছে। তাই আমার মনে হয় করোনা আমাদের সুযোগ দিয়েছে ফিরে তাকানোর, জীবনে কোন জিনিসটা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ আর কোনটা ছাড়া চলা যায় সে ব্যাপারে ভাবার। একবিংশ শতাব্দীর অনেক শিশুই মনে করে ইন্টারনেট, স্মার্টফোন ইত্যাদি আলো বাতাসের মত। আমার বিশ্বাস আমরা অনেকেই এখন নতুন করে প্রাইওরিটি ঠিক করব। আমাদের ঠিক করতে হবে কোনটা আমাদের বেশি দরকার - দূষণ মুক্ত বাতাস, বিশুদ্ধ জল, রসায়ন মুক্ত খাবার নাকি জন প্রতি কয়েকটা গাড়ি, টিভি, টেলিফোন এসব? না, প্রশ্নটা এমন নয় যে আমরা গাড়ি, টিভি, টেলিফোন এসব ব্যবহার থেকে বিরত থাকব। কথা হচ্ছে প্রকৃতি ও মানুষের মধ্যে সঠিক ব্যাল্যান্স গড়ে তোলা। হয়তো করোনা পরবর্তী বিশ্বে আমরা এ নিয়ে ভাবব। টাকা পয়সা ধন দৌলতের পেছনে পাগলের মত না ছুটে আমাদের চাহিদার, লোভের পাগলা ঘোড়ার লাগাম টেনে ধরব। তাই বলছি আমরা এতদিন ভোগের পাগল ছিলাম, করোনা আমাদের সচেতন করছে। জীবনের পথে ফিরিয়ে আনছে।
দুবনা, ০৩ এপ্রিল ২০২০
Subscribe to:
Posts (Atom)