Friday, April 3, 2020

ঘর

ঘরে থাকার সরকারি ঘোষণায় সবচেয়ে খুশি এলাকার গৃহহীণ মানুষ। তারা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সর্বান্তকরণে সমর্থন করেছে। এই ঘোষণা কার্যকরী করার জন্য তাদের উদ্যোগে "ঘরের দাবিতে মিছিল" এর আয়োজন করা হবে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে।

দুবনা, ০৩ এপ্রিল ২০২০


Thursday, April 2, 2020

ঘরে থাকা

নিজে ঘরে থাকুন! ঈশ্বরকেও ঘরে রাখুন! করোনা কাউকে করে না করুণা! 

দুবনা, ০২ এপ্রিল ২০২০ 

কারফিউ

আচ্ছা কারফিউ - এটা কি কার ফিউ, মানে রাস্তায় ফিউ কার? আর কিছু হোক না হোক দূষণ কমবে! 

দুবনা, ০২ এপ্রিল ২০২০ 

মত অমত

দাদা এ ব্যাপারে আপনার মতামতটা যদি জানাতেন?
মত জানাতে পারব না তবে অমতগুলো বলতে পারি। শুনবেন?

ভিন্ন মত বা দ্বিমত শোনার মত বুকের পাটা বীর বাঙ্গালী কোথায় যে হারিয়ে ফেলল।

দুবনা, ০২ এপ্রিল ২০২০

জরুরী

কমবেশিতে কমটা বেশি না বেশিটা কম এ নিয়ে দ্বিধায় পড়েছি। জরুরী সাহায্য দরকার

দুবনা, ০২ এপ্রিল ২০২০

Wednesday, April 1, 2020

প্রিন্স

গতকাল গভীর রাতে রবীনের মেসেজ পেলাম। খোলার আগে জানতে চাইলাম এটা কি? আসলে আজকাল কাজে অকাজে লোকজন ইনবক্সে এতো মেসেজ পাঠায় যে সব খুলতে গেলে করোনায় নয় মেসেজ পড়ার যন্ত্রণায়ই তল্পি গুটাতে হবে। রবীনই প্রিন্সের মৃত্যুর খবর দিল।
- কে বলল তোমায়?
- কল্লোল দা।  
এরপর অনেকক্ষণ প্রিন্সকে নিয়ে কথা হল।
প্রিন্স ঠিক কত সালে রাশিয়ায় এসেছিল জানি না। এক সময় মনে করতাম বুলবুলের বন্ধু। প্রিন্স নামে বুলবুলের এক বন্ধু ছিল। দুই নম্বরে প্রায়ই আসত। যাহোক, প্রিন্স ভল্গাগ্রাদে পড়াশুনা করেছে। আলাপ ফেসবুকে। ২০১২ সালে ওরা যখন মস্কো আসে, দেখা হয়েছিল। ওরা এসেছিল ভিপুস্কনিকদের এক কংগ্রেসে। আমিও ছিলাম। এরপর প্রিন্স ভল্গাগ্রাদ বেড়াতে যায়। জেমসের নম্বর ওই আমাকে দেয়। 
ফেসবুকে আমার বিভিন্ন পোস্টে কমেন্ট করত। আমি নিজের সক্রিয় রাজনীতি না করলেও বাম রাজনীতি, বিশেষ করে সিপিবির প্রতি সহানুভূতিশীল। প্রিন্স ছিল বিএনপির সক্রিয় নেতা/কর্মী। যতদূর শুনেছি, রাজনৈতিক কারণেই ও দেশ ছেড়ে অ্যামেরিকা চলে যায়।  যাহোক, বিগত সময়ে ফেসবুকে আমাদের এক ধরনের সম্পর্ক গড়ে ওঠেছিল, যেখানে আমরা বিভিন্ন বিষয়ে যত না একমত হয়েছি, দ্বিমত পোষণ করেছি তার চেয়ে বেশি। ব্যাপারটা অনেকটা "আমরা দ্বিমত প্রকাশ করার ব্যাপারে মতৈক্যে পৌঁছেছি।" প্রিন্স মারা গেল। যতদূর শুনলাম করোনায় আক্রান্ত হয়ে। সব কিছুর পরেও আমরা ছিলাম ভিপুস্কনিক, সে হিসেবে একই ব্রিগেডের সৈনিক। সাধারণত বলে "В нашем полку прибыло"  কিন্তু এক্ষেত্রে বলতে হচ্ছে "В нашем полку убыло".

দুবনা, ০১ এপ্রিল ২০২০

#নাবলাবানী  

পরীক্ষা

শুনলাম মন্দির, মসজিদ, চার্চ, সিনাগগ ইত্যাদি উপাসনালয়ে করোনা হানা দিচ্ছে। ধার্মিকরা ঠিক বলেছে, করোনা পাঠিয়ে ঈশ্বর তাদের ভক্তির জোর পরীক্ষা করছেন। কঠিন পরীক্ষা চলছে দেখছি!

দুবনা, ০১ এপ্রিল ২০২০